দিনাজপুর মেডিকেল কলেজের মাল্টিপল পারসোনালিটির কনফারেন্সের শেষে দ্রুতযান ট্রেনের কেবিনে সম্পূর্ণ একা লেখক ঢাকায় ফিরছেন। তার কিছুক্ষণ পরই ২৪-২৫ বয়সের একটি তরুণী কেবিনে প্রবেশ করে যার নাম মিতু। সে প্রফেসরের কাছে এসেছে তার কিছু সমস্যা নিয়ে যা তার বড় বোন ইলার মৃত্যুর পর থেকে শুরু হয়েছে।
চিকিৎসক বলেছেন তার বড় বোনের মৃত্যু হয়েছে হার্ট অ্যাটাকে। বড় বোন ইলার মৃত্যুতে মিতুর কোনো দুঃখ হয়নি বরং সে খুশি হয়েছে। ইলার মৃত্যুর কয়েক দিন পর মিতু ইলার রুমে গেলে সে শুনতে পায় কেউ একজন মৃদু সুরে কাঁদছে,আর বার বার বলছে-“why me? why me?”
এই ব্যাপারে সে অনেক সাইকিয়াট্রিস্টের সাথে যোগাযোগ করেছে, কিন্তু তারা মিতুকে বলেছে সে হ্যালুশিনেশনে আক্রান্ত। কিন্তু মিতু মানতে নারাজ সে হ্যালুশিনেশনে আক্রান্ত। তাই সে প্রফেসর নাজীবের কাছে সমস্যার সমাধান করার জন্য এসেছে।
প্রফেসর মিতুর সম্পর্কে কোনো কথা জিজ্ঞাসা করলে মিতু তা বলতে চায় না। কিন্তু কেনো? তাছাড়া, ইলার মৃত্যু কি আসলেই হার্ট অ্যাটাকের কারণে হয়েছে? বড় বোনের মৃত্যুতে মিতু কেনই বা খুশি? মিতু কি আসলেই হ্যালুশিনেশনে আক্রান্ত? বড় বোনের মৃত্যুর ব্যাপারে মিতু কেন প্রফেসসের সাথে কোনো কথা বলতে চায় না? কিভাবে প্রফেসর নাজীব এই সমস্যার সমাধান করবে? জানতে হলে পড়তে হবে রাজীব হোসাইন সরকারের ‘চন্দ্রগ্রহণ’ বইটি।
বইয়ের নাম: চন্দ্রগ্রহণ
লেখক: রাজীব হোসাইন সরকার
ধরণ: প্যারাসাইকোলজিক্যাল
প্রকাশন: প্রিয়মুখ
প্রচ্ছদ: রহমান আজাদ
প্রথম প্রকাশ: ২০১৯
পৃষ্ঠা সংখ্যা: ৯৪
মুদ্রিত মূল্য: ২০০